
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী বরিশাল-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ১০১ জন। জনপ্রতি ১০ টাকা হিসেবে তার নির্বাচনী ব্যয়সীমা নির্ধারিত হয়েছে ৩৩ লাখ ২১ হাজার ১০ টাকা।
ফেসবুক পোস্টে ব্যারিস্টার ফুয়াদ উল্লেখ করেন, বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত তিনি বিকাশের মাধ্যমে পেয়েছেন ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৫৫২ টাকা, নগদের মাধ্যমে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬ টাকা এবং ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৮ লাখ ৭ হাজার ৯৪৮ টাকা। সব মিলিয়ে মোট অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬ টাকা।
নির্ধারিত ব্যয়সীমার অতিরিক্ত অর্থ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনুদান সংক্রান্ত সকল হিসাবপত্র নির্বাচনকালীন সময় পর্যন্ত নিরীক্ষা করে প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে।’
নির্বাচন কমিশন বা সরকারের যে কোনো আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা চাইলে নিরীক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়ে ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিন দিনের মধ্যেই তিনি নির্ধারিত ব্যয়সীমার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।