
মামলায় ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫০-১৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) বিএনপির ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল থেকে আটক মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুল জব্বার।
আটককৃতরা হলেন- উপজেলা বিএনপির সভাপতি তমিজ উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ সিকদার, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মিকাইল হোসেন, কুশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই, আবুল হোসেন, লাবলু মিয়া, শরিফুল ইসলাম, মর্তুজ মিয়া ও আহম্মদ আলী। বাকি আসামিদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা যায়।
মামলায় জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি সংবলিত একটি ব্যানার, তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল, চারটি স্প্লিন্টার রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আসামিরা।
সোমবার বিএনপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি তমিজ উদ্দিনের নেতৃত্বে মিছিল বের করা হয়। ওই সময় মিছিলকারীদের বাধা দিয়ে তাদের কাছ থেকে ব্যানার ছিনিয়ে নেয় পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশ মিছিলকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
ওই সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি তমিজ উদ্দিনসহ ৮ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় বিএনপির দুই শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় আটক ৯ জনের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা না দিলে পুলিশ কখনো তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না।
প্রশঙ্গত, সোমবার সকালে ১০ দফা দাবির ভিত্তিেত বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকলে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হলে রিনা আক্তার নামে এক নারী পুলিশসহ এস আই শাখাওয়াত হোসেন, কনস্টেবল আমিন ও ড্রাইভার রিপন আহত হন।