
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের সুলতানপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম শরৎ চক্রবর্তী ওরফে মণি (৪০)। তিনি পার্শ্ববর্তী শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের উত্তর সাধারচর গ্রামের মোহন চক্রবর্তীর ছেলে। পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর বাজারে পৈতৃক মুদিদোকান পরিচালনার পাশাপাশি এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র) ভাড়া দিতেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সুলতানপুর গ্রামে শরৎ চক্রবর্তীর আরেকটি বাড়ি আছে, সেখানে তিনি কিছু খরগোশ পালতেন। সোমবার রাত ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি ওই বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়িটির ফটকের সামনে পৌঁছার পরই কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথার পেছনে কোপ দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিয়ে লুটিয়ে পড়লে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
একপর্যায়ে শরতের চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে আসেন। তাৎক্ষণিকভাবে শরৎকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে খবর পেয়ে স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। সেখানে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ পুলিশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই ব্যক্তিকে (শরৎ) মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। তার মাথার পেছনের দিকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আড়াই ইঞ্চির মতো ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন।
তিনি বলেন, ‘দ্রুতই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।