
নিজস্ব প্রতিবেদক // পরাজিত শক্তি আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতাকে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এসব ঘটনার পেছনে গভীর চক্রান্ত রয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে গুলশানে নিজ কার্যালয়ে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফখরুল। বৈঠকে নৃগোষ্ঠীগুলোর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
মির্জা ফখরুল জানান, “মঙ্গলবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা ডেকেছিলেন, তাই বিএনপি সেখানে গেছে। এ ধরনের মতবিনিময় ঘন ঘন হলে ভালো হয়।” তিনি আরও বলেন, “সচিবালয়ে হামলার ঘটনায় প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে, এর আগে গোপালগঞ্জেও হামলা হয়েছে। এসব ঘটনার মাধ্যমে বোঝা যায়, পরাজিত শক্তি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।”
তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সবসময় দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে একটি স্থায়ী সরকার গঠনের পক্ষে। রাজনৈতিক সরকার না থাকলে দেশের সমস্যা বাড়ে।”
সাম্প্রতিক উত্তরা বিমান দুর্ঘটনার পর অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা অভিজ্ঞতার অভাব এবং কিছু মানুষের ‘ইগো’ কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর অভিজ্ঞতা থাকায় পরামর্শ নিলে ভালো হতো।” তবে সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে কোনো ঘাটতি দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বাকবিতণ্ডা রাজনীতির অংশ। এতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। রাজনীতি থাকলেই গণতন্ত্র ও উন্নয়ন হয়।” তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র মানেই সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ‘শতফুল ফুটতে দিতে হয়’, এর মধ্য থেকেই ভালো সমাধান আসবে।”
এক ব্যক্তির দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীত্ব একসঙ্গে না রাখার প্রস্তাব নিয়ে ফখরুল বলেন, “এটি একটি প্রস্তাবমাত্র। আলোচনা চলছে, সব দলের মতামত নেওয়া হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।