
তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন অর্জিত হতে পারে বলে তারা আশাবাদী।
এখন পরিচর্যার সময়
রোপণ শেষে এখন চলছে সেচ, আগাছা দমন, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের কাজ। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।
সবকিছু অনুকূলে থাকলে চিতলমারীর বিস্তীর্ণ মাঠে দোল খাবে সোনালি ধান। কয়েক বছর পর আবারও লাভের মুখ দেখার আশায় বুক বাঁধছেন এই জনপদের কৃষকরা।