1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাজার নিয়ন্ত্রণে বরিশালে প্রতিমন্ত্র‍ী রাজিবের ‘নায্যমূল্যের বাজার’ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

বাজার নিয়ন্ত্রণে বরিশালে প্রতিমন্ত্র‍ী রাজিবের ‘নায্যমূল্যের বাজার’

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে
44

নায্যমূল্যে নিত্যপণ্য পেতে রমজান মাসজুড়ে অস্থায়ী বাজার চালু করেছেন সড়ক, রেল ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রাজিব আহসান।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের তত্ত্বাবধানে পাতারহাট বন্দরের উত্তর বাজারে এ অস্থায়ী বাজার চালু করা হয়, যা চলবে শেষ রমজান পর্যন্ত।


প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই বাজারে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে শাকসবজি ও ফলমূলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এই বাজার থেকে সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।


এখানে পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন বিক্রি করা হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, ছোলা ৮০ টাকা, লেবু ৩৫ টাকা হালি, শসা ৪৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর ইফতার সামগ্রীর মধ্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি, মাল্টা ৩০০ টাকা, আপেল ৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাব্বির হোসেন বলছেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। অনেকটা বাধ্য হয়েই চড়া দামে পণ্য কিনছেন তারা। কিন্তু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।
প্রথম দিন ন্যায্য মূল্যের এই বাজার মনিটরিং করেছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেনের নেতৃত্বে একটি টিম।

গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, ‘মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান তার নিজ উদ্যোগে ন্যায্য মূল্যের এই বাজার কার্যক্রম চালু করেছেন যা শেষ রমজান অবধি চলমান থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরইমধ্যে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস এবং ১৫০ টাকা কেজিতে মুরগীর মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছি। হয়তো দুই একদিনের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews