
সিবিএসএ আরও জানিয়েছে, ভারতীয় এসব শিক্ষার্থী ভিসা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেসব নথি জমা দেয়, তদন্তে তা জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭০০ জন শিক্ষার্থী জলন্ধরে অবস্থিত ব্রিজেশ মিশ্রের নেতৃত্বে এডুকেশন মাইগ্রেশন সার্ভিসেস এর মাধ্যমে স্টাডি ভিসার জন্য আবেদন করেছিল। তিনি এসব শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছে প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হাম্বার কলেজে ভর্তি ফিসহ সব খরচ বাবদ ১৬ লাখ টাকার বেশি নিয়েছেন। কিন্তু এতে উড়োজাহাজের টিকিট ও সিকিউরিটি ডিপোজিট অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
এই শিক্ষার্থীরা ২০১৮–১৯ সালে কানাডায় যান। পরবর্তীতে এসব শিক্ষার্থী কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের (পিআর) জন্য আবেদন করে। এরপর সিবিএসএ ‘ভর্তির অফার লেটার’ যাচাই-বাছাই করলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। সিবিএসএ জানিয়েছে, এই শিক্ষার্থীদের ‘ভর্তির অফার লেটার’ আসল নয়।