
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালের দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- টগবী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল হালিম, কর্মী মো. ফয়জুল্লাহ, মো. ইমন, শাহেল আলম, মো. রাইহান, মো. শামীম, রাতুল ও তানজিল এবং বিএনপির আয়ুব আলী, শিমু বেগম, মো. বাবু, শামিম ও উজ্জলা বিবি।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর জামায়াতের দুজনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াত নেতা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০-৩০ জন দলটির ভোলা-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় তারা বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে প্রচারের জন্য প্রবেশ করেন। তখন দুপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মী আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
তবে জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। পাঁচজনকে আহত করে তাদের বাড়িঘরেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এখনও কোনো দলের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।