1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
সরবরাহ সংকটে ভরা মৌসুমে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

সরবরাহ সংকটে ভরা মৌসুমে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ 0 বার সংবাদি দেখেছে
61

বছরের প্রথম শুক্রবারেই বাজারে চড়ে বসেছে সবজির দাম। একই সঙ্গে সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দরও। তবে পিঁয়াজ ও আলুর দাম কিছুটা কম থাকলেও শীতকালীন সবজির দাম তুলনামূলকভাবে ঊর্ধ্বমুখী।

শুক্রবার সকালে কিছুটা দেরি করে শুরু হয়েছে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বেচাকেনা।

বিক্রেতারা জানান, কুয়াশার কারণে বাজারে সরবরাহ ঠিকমতো আসছে না। তাই কিছুটা দাম বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ শীতকালীন সবজির দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটোর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা, পটোল ১০০ টাকা, গাজর ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা ও বাঁধা কপি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা দামের এই ঊর্ধ্বমুখিতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা রফিক জানালেন, শীতের এই ভরা মৌসুমেও সবজির দাম কিছুটা চড়া। গত সপ্তাহেও কমতির দিকে ছিলো।

বাজার দর নিয়ে মিরপুরের সবজি বিক্রেতা রায়হান তালুকদার জানালেন, তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি। আশা করা যায় কয়েক দিনের মধ্যে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ২০-৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। পাইকারিতে যা ৭০-৮০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

পিঁয়াজ ও আলুর বাজারে নেই তেমন পরিবর্তন। প্রতিকেজি পুরান দেশি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়, নতুন মুড়িকাটা পিঁয়াজের দাম ৬০ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পিঁয়াজের দামও প্রতি কেজি ৬০ টাকার আশেপাশে। আর নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় প্রতি কেজি।

ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে মুরগির দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকায়, বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ টাকায়, এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, যা মাসখানেক আগেও ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিমের ডজন ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের দামে খুব একটা পরিবর্তন নেই, বাজারে প্রতি কেজি কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা ও আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং মাছের দাম কিছুটা কমে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় নেমেছে।

এছাড়া টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারে বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ছোট চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা জীবন হাওলাদার এর ভাষ্য, ‘শীতে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বাড়তি, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
আর. এম মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Theme Customized By BreakingNews