1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেহজাবীন - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেহজাবীন

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
73
বিনোদন ডেস্ক // অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মুচলেকা নিয়ে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকারের আদালত।

মামলার বিষয়ে মেহজাবীন ও আলিশানের জবাব দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। জবাব দাখিলের পর শুনানি নিয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার ৩ নম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামলার শুনানির জন্য ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। পূর্ব নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হয়েছিলেন মেহজাবীন ও তার ভাই। এসময় আদালত মামলার বাদীর নাম ধরে একাধিকবার ডাকলেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। পরে মেহজাবীনের আইনজীবী শুনানি শুরু করলে আদালতে উপস্থিত হন বাদী। শুনানি শেষে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হত্যার হুমকির মামলা থেকে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইকে মুচলেকা নিয়ে অব্যাহতি দেন আদালত।

এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন পান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভনে আসামি মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজ দেব কাল দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করেন।

নথি থেকে আরও জানা যায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।’

এসব কথা বলে তারা বাদীকে জীবননাশের হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।

এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/ ১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
আর. এম মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Theme Customized By BreakingNews