1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // চৌদ্দ বছর আগে ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামী সায়েদ আহমেদকে প্রাণদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রোববার এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সায়েদকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

“আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের পুত্রকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

রায় ঘোষণার সময় সায়েদ ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিল। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা জয়েছে, ২০১০ সালের ২৫ জুন বিয়ে করেন সায়েদ আহমেদ ও রেহানা বেগম। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ যৌতুকের টাকা এবং রেহানার নামে থাকা বাড়ি লিখে দিতে মারধর করত। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার মা রেজিয়া বেগম কন্যার নামে কামরাঙ্গীরচরে কিনে দেওয়া বাড়িতে যান। যাওয়ার পর অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকির পর সায়েদ দরজা খুলে দেয়। রেজিয়া বেগম সেখানে সায়েদ ও তার ভাই শফি আহমেদকে দেখতে পান। আর রেহানাকে তার ছেলেকে নিয়ে শুয়ে থাকতে দেখেন।

“তাকে জাগানোর জন্য গায়ে হাত দিয়ে দেখেন শরীর ঠাণ্ডা এবং মুখে লাল লাল দাগ। রেহানা শ্বাস নিচ্ছে না দেখে চিৎকার করে ওঠেন রেজিয়া। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবে সায়েদ ও শফি তাতে বাধা দেন। সেখানে কুলসুমা নামে একজন রেজিয়াকে জানান, যৌতুক হিসেবে বাড়ি লিখে দিতে ঝগড়া করতো। ওই দিন সকাল থেকে তারা রেহানাকে মারধর করেছে। কন্যার মৃত্যুর কথা শুনে জ্ঞান হারান রেজিয়া। জ্ঞান ফিরলে জানতে পারেন, রেহানাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সায়েদ ও শফি জানান, রেহানার স্ট্রোক হয়েছে। তাকে তাড়াহুড়ো করে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করে। ”

এরপর রেজিয়া কামরাঙ্গীরচর থানায় যান মামলা করতে। তবে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নেয়নি। পরে রেজিয়া ৯ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে সায়েদ ও শফির নামে মামলা করেন।

ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। রেহানার লাশ ককর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা যেতে পারে মর্মে মতামত দিয়ে ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেয়।

এ পর্যায়ে রেজিয়া এ বিষয়ে নারাজি দাখিল করলে আদালত মামলাটি সিআইডি পুলিশকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।

সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর লুৎফর রহমান মামলাটি তদন্ত করে সায়েদকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। তবে শফির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাননি তিনি।

এরপর সায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে এদিন সাজার রায় এলো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews