1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু আজ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ শুরু আজ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক // মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, ইলিশ সম্পদ রক্ষা ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকার সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপিত হবে। গতকাল সোমবার সকালে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী।

মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগে ইলিশের টেকসই উৎপাদন বৃদ্ধিসহ দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় নিয়ে আসতে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি ইলিশসমৃদ্ধ ২০টি জেলায় পালিত হবে। আগামী ৭ এপ্রিল চাঁদপুর সদরে সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছেÑ ‘জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী’। ইলিশ রক্ষায় সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ইলিশ সম্পদের টেকসই উন্নয়নে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত (৫৮ দিন) বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা, প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা। এ ছাড়া ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ও নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ, তিন হাজার ১৮৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণা এবং জেলেদের জন্য ভিজিএফ খাদ্যসহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুু বলেন, গত দুই মাসে ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮০ কেজি চাল, ১২ কেজি আটা, ১০ কেজি তেল, ৪ কেজি চিনি, ৮ কেজি ডাল ও ১৬ কেজি আলু; যার মোট মূল্য প্রায় ছয় হাজার টাকা। অতীতে জেলেরা এত পরিমাণ খাদ্যসহায়তা পায়নি। এরপরও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা জেলেদের সহযোগিতা করে যাবেন। সরকার কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেবে না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews