1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ডিম-মুরগিতে স্বস্তি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

ডিম-মুরগিতে স্বস্তি

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ২৩১ 0 বার সংবাদি দেখেছে
অনলাইন ডেস্ক // ঈদের পর রাজধানীর কাঁচাবাজারে কিছু পণ্যের দাম বাড়লেও মুরগি ও ডিমের দামে স্বস্তি দেখা গেছে। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহের দরের কাছাকাছি।

তবে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে রাজধানীর কাঁচাবাজারে কিছুটা বেড়েছে সবজির দাম। বিশেষ করে শাকসবজি ও পচনশীল পণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লাউ, কুমড়া, করলা, পটল, ঢেঁড়স, বরবটি, শসা, বেগুনসহ বেশ কিছু সবজির কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টিতে মাঠ থেকে সবজি তুলতে দেরি হচ্ছে, আবার শহরে পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। ফলে সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়ছে।

তবে ডিম ও মুরগির বাজারে ছিল স্থিতিশীলতা। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কম। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহের দরের কাছাকাছি।

ক্রেতারা বলছেন, সবজির দামে কিছুটা বাড়তি থাকলেও ডিম ও মুরগিতে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় খরচ কিছুটা সামলানো যাচ্ছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এক-দুই দিনের মধ্যেই সবজির সরবরাহ বাড়বে এবং দামও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আবার কিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরেও। ঝিঙা, বরবটি, ঢেঁড়শ, কাঁকরোল, করলা, বেগুন ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, পটোল, চিচিঙা, ধুন্দল, লতির মতো সবজি। আকারভেদে প্রতি পিস লাউ ও জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়।

শসা (দেশি) ৫০ টাকা, শসা (হাইব্রিড) ২০ টাকা, কাচামরিচ ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা ও টমেটো ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে৷ লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। যা ঈদের আগে বিক্রি হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। একইভাবে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে প্রতিকেজি কক মুরগি (সোনালি) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়।

বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২৫ টাকায়।

এদিকে ঈদের আগের চেয়ে এখন প্রতি কেজি চাল ২ থেকে ৫ টাকা টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এখন খুচরায় প্রতি কেজি মোটা চাল (বিআর-২৮, পারিজা) মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬২ টাকা দরে। সরু চালের মধ্যে জিরাশাইলের কেজি ৭৪ থেকে ৭৮ টাকা এবং মিনিকেট ৭৬ থেকে ৮০ টাকা। কাটারিভোগ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজিতে।

যদিও মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে রুই বিক্রি হয়েছে ২৮০ থেকে থেকে ৪০০ টাকায়, কাতল ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, পাবদা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। তবে দেশি জাতের শিং ও কৈ যথাক্রমে ১২০০ ও ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews