1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
পিয়ন থেকে কোটিপতি বরিশাল বাফার গোডাউনের ইনচার্জ শাহ আলম - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

পিয়ন থেকে কোটিপতি বরিশাল বাফার গোডাউনের ইনচার্জ শাহ আলম

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর বরিশাল বাফার গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শাহ আলম গাজীর বিরুদ্ধে অঢেল অবৈধ সম্পদ অর্জন, সরকারি সার ব্যবস্থাপনায় কারসাজি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, একজন নিম্নপদের কর্মচারী থেকে তিনি আজ শতকোটি টাকার মালিক।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)-এ পিয়ন পদে কর্মজীবন শুরু করেন শাহ আলম গাজী। পরে বরিশালে ফায়ারম্যান পদে যোগ দেন এবং বর্তমানে বরিশাল বাফার গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সীমিত আয়ের সরকারি চাকরিজীবী হলেও বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসা সড়কে গড়ে তুলেছেন ‘গাজী ম্যানশন’ নামে পাঁচতলা বিলাসবহুল ভবন। কৌশল হিসেবে ব্যাংক ঋণের কথা বলা হলেও এটি নিজস্ব অর্থায়নেই নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এছাড়া বরিশালের বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকার জমি। পরিবারের ব্যবহারের জন্য কিনেছেন ‘নিসান’ ব্র্যান্ডের দামি গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৫-৫৬৫২), যা নিবন্ধিত তার স্ত্রীর নামে।

 

ঘাট শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নওয়াপাড়া-বরিশাল রুটে সার পরিবহনে ব্যবহৃত ‘এমবি হাক্কানী’ ও ‘এমবি মুন্নি’ নামের দুটি কার্গো জাহাজের প্রকৃত মালিক শাহ আলম গাজী। শুধু তা-ই নয়, নিজের ক্ষমতার দাপটে পরিবারকে বানিয়েছেন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছেলের নামে রয়েছে ‘গাজী বিল্ডার্স (লিমিটেড)’ নামের লাইসেন্স, যার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হয় বিপুল অঙ্কের লেনদেন।

 

স্ত্রীর নামে রয়েছে ‘মেসার্স মুন্নি এন্টারপ্রাইজ’ নামের অপর একটি লাইসেন্স।

 

বাস্তবে এসব ঠিকাদারি ব্যবসা তিনি নিজেই পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

গোডাউনের সার ব্যবস্থাপনা ঘিরে উঠেছে মারাত্মক অভিযোগ, ঘোড়াশাল বা নওয়াপাড়া থেকে আসা সারের চালান গোডাউনে আনলোড না করে রাতের আঁধারে সরাসরি ডিলার পয়েন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

 

সরকারি নথিপত্রে গোডাউনে সার গ্রহণ দেখানো হলেও বাস্তবে ভুয়া কাগজে স্বাক্ষর করে যাতায়াত ও পরিবহন খরচের সরকারি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

 

স্থানীয় কেডিসি বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এক স্থানে ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন বিসিআইসির নীতিমালার পরিপন্থী। বিগত সরকারের আমলে দলীয় মিছিলে সক্রিয় থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি পরিচয় পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। অনিয়মের খবর ধামাচাপা দিতে ও বদলি ঠেকাতে গত ২২ আগস্ট ঢাকায় গিয়ে বিসিআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি রনি সিকদার জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা বিসিআইসি যদি দ্রুত এর সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা না নেয়, তবে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে।

 

অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত প্রশ্নসহ শাহ আলম গাজীর হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা প্রকাশ করা হবে

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews