1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাবুগঞ্জে স্থাপনের পর থেকেই অকেজো নলকূপ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
বিয়ে করলেন অভিনয়শিল্পী মহসিনা আক্তার টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবার বাংলাদেশের অবস্থান ছয়ে গঙ্গা চুক্তি নবায়নে বিহারের আপত্তি, চাপে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯ গৌরনদীতে কলেজ অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তার অভিযোগ গৌরনদী মাদকের স্বর্গ রাজ্যে নেই মাদক বিরোধী অভিযান প্রশাসন ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তাহলে কী প্রশাসন অসহায় গৌরনদীতে টিটিসির ভেতরে হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালন, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ অবৈধ স্থাপনা রেখেই দায়সারা খাল খনন, ধসে পরছে পাকা সড়ক জনচলাচলে দূর্ভোগ স্থানীয়দের অভিযোগ গৌরনদীতে নাগরিক উদ্যোগ’র মানবাধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় সভা বরিশালে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বাবুগঞ্জে স্থাপনের পর থেকেই অকেজো নলকূপ

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

গাজী আরিফুর রহমান // বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকেই অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। উপজেলা কৃষি অফিসে সেবা নিতে আসা কৃষক ও স্থানীয় জনসাধারণ কেউই এর কোনো সুবিধা ভোগ করতে পারছেন না। জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ‘উপজেলা কৃষি অফিস খানপুরা, রহমতপুর গভীর নলকূপ স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা ছিল উপজেলা পরিষদ, বাবুগঞ্জ। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নলকূপটির নিচের অংশে পাকা স্থাপনা করা হলেও উপরের লোহার ফিটিং অংশ কখনোই সংযুক্ত করা হয়নি। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই সেই লোহার হেড কৃষি অফিসের স্টোররুমে পড়ে রয়েছে। ফলে নলকূপটি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। কৃষকরা জানান, এই নলকূপ সচল থাকলে কৃষি অফিসে আসা চাষিরা সহজে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারতেন। কিন্তু বছরের পর বছর সেটি একেবারেই নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয় কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “সরকারের টাকায় নলকূপ বসানো হয়েছে, কিন্তু পানি তোলা যায় না। নিচের অংশ পাকা করে রেখে উপরের অংশ না লাগিয়ে ফেলে রাখা – এটা সত্যিই দুঃখজনক।” আরেক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন,“নলকূপের লোহার অংশ কৃষি অফিসেই পড়ে আছে, অথচ এখানে সেবা নিতে আসা কৃষকরা তীব্র পানির সংকটে ভুগছেন।” এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ বলেন, “এলাকায় সিচকে চুরির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে নলকূপটির লোহার অংশ খুলে স্টোররুমে রেখে দিয়েছি। এটি আগে কখনো লাগানো হয়নি।” অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমি জানতাম না। কৃষি অফিস বা স্থানীয় কেউ এ বিষয়ে অবগত করেননি। এখন বিষয়টি খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, সরকারি অর্থে স্থাপিত এই প্রকল্প দ্রুত সচল না হলে এডিপি তহবিলের অর্থ অপচয় হবে, পাশাপাশি জনগণের আস্থাও ক্ষুণ্ণ হবে। সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো যেন জনস্বার্থে কার্যকর হয় – এমন দাবি জানিয়েছেন বাবুগঞ্জের কৃষক সমাজ ও সাধারণ মানুষ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews