
মুন্না খান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ।।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আদর্শ নগর ইউনিয়নের চুনারচর গ্রামের শিকদার বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি পদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে উত্তেজনা ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মুসল্লিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনরায় বাবুল কাজীকে বহাল রাখা হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন স্থানীয় বাসিন্দা জসিম হাওলাদার ও তার ছেলে মামুন হাওলাদার। অভিযোগ রয়েছে, তারা মসজিদে এসে বাবুল কাজীকে সভাপতি পদে বহাল রাখার বিষয়ে আপত্তি জানান এবং তার পরিবর্তে জসিম হাওলাদারের ভাই বাশার হাওলাদারকে সভাপতি করার দাবি তোলেন।
এ সময় বিষয়টি নিয়ে মসজিদের মুসল্লিদের সঙ্গে জসিম হাওলাদার ও তার ছেলে মামুন হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয়রা জানান। মুসল্লিদের দাবি, জসিম হাওলাদার ও তার ছেলে নিয়মিত ওই মসজিদে নামাজ আদায় করেন না।
ঘটনার প্রায় দুই দিন পর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট থানায় দুইটি মামলা দায়ের করেন জসিম হাওলাদার। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় এরশাদ বেপারীকে। একটি মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এরশাদ বেপারী জসিম হাওলাদারের হাতের কব্জি ভেঙে দিয়েছেন।
তবে স্থানীয় মুসল্লিদের দাবি, ঘটনাস্থলে হাতের কব্জি ভেঙে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিকভাবে এরশাদ বেপারীকে হয়রানি ও কোনঠাসা করার উদ্দেশ্যে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় এরশাদ বেপারীর বাবা ও ভাইকে আসামি করা হলেও ঘটনার সময় তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে মামলার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।