1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
যারা হরতাল-অবরোধ দি‌য়ে‌ছে, তারাই ট্রেনে আগুন দিয়েছে - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন

যারা হরতাল-অবরোধ দি‌য়ে‌ছে, তারাই ট্রেনে আগুন দিয়েছে

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১২৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
30

নিজস্ব প্রতিবেদক // ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান ব‌লে‌ছেন, যারা হরতাল-অবরোধ দিয়েছে তারাই তেজগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ট্রেনে নাশকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গি‌য়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি মনে করি যারা অবরোধ-হরতাল দিচ্ছে তারাই এই নাশকতার সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা এভাবে ট্রেনে নাশকতা করেছিল।

নাশকতার দায় কাদের তা জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, যারা অবরোধ করেছে, যারা হরতাল করছে তারাই এটি করছে। এর আগে যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা ধরাও পড়েছিল। গাজীপুরের লাইন যারা কেটে ফেলেছিল সেখানেও একজনকে হত্যা করা হয়েছে বলবো। আজকেও যে ঘটনাটি সেটা কেউ আমি সরাসরি হত্যা বলতে চাই। যারা করেছে হরতাল ও অবরোধকারীদের একটি অংশ বলে আমি মনে করি। কেবল একটি অংশ নয়, এটি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অংশ এবং তার অংশ হিসেবেই তাদের যারা অনুসারী রয়েছে তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করে।

বিএনপি’র অধিকাংশ নেতারাই জেলে রয়েছে তারপরেও কাদের নির্দেশে এই ধরনের নাশকতা হচ্ছে এমন এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার জানান, যারা হরতাল করছে, যারা জ্বালাপোড়াও করছে হ্যালো, নাশকতা করছে তাদের বিদেশি নেতাদের নির্দেশে এদেশে তাদের যেই এজেন্ট রয়েছে, অনুসারীরা রয়েছে তারাই যে এটা করছে এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

তিনি বলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কোন অবস্থাতেই পার পাবে না। তারা অতীতেও পার পায় নাই। ট্রেনে, বাসে যে সমস্ত জ্বালাপোড়াও হচ্ছে এর প্রত্যেকটি ঘটনায় আমরা প্রত্যেককে শনাক্ত করতে পেরেছি। তারা স্বীকারও করেছে তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে তাদের রাজনীতি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে। আমাদের সতর্কতা ছিল তারপরেও যেহেতু এই ঘটনা ঘটেছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সিআইডি, ডিবি এবং রেলওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে যেন পরবর্তীতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা আহত একজনের কাছে যেটুকু জানতে পেরেছি, ভিতরে যারা ছিল তারাই সেখানে আগুন দিয়েছে। সে নিজেও সেখানে ছিল। সে দেখেছে সিটের ভিতরে প্রথম আগুন দিয়েছে এবং সে আগুন আস্তে আস্তে ছড়িয়ে গেছে। যেহেতু ভোর ছিল অনেকেই ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। আমরা দেখেছি একজন মা তার সন্তানকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিল, হয়তো বাচার চেষ্টা করেছিল।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ভোর পাঁচটার সময় ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে পৌছায়। সেখান থেকে কমলাপুরের উদ্দেশ্যে যখন রওনা করে বনানী কাকলির কাছাকাছি আসলে ‘জ’ নামক যেই বগিটি ছিল সেই বগিটির ভিতরে যাত্রীরা আগুন দেখতে পায়। অনেকেই লাফ দিয়ে রোগী থেকে বেরিয়েছে। তবে চারজনকে পুড়িয়ে সেখানে হত্যা করা হয়েছে। এরমধ্যে এক মা ও তার ছেলে ইয়াসিনকে শনাক্ত করা গেছে বাকি দুইজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তাদের সনাক্ত করার জন্য আমাদের সিআইডি চেষ্টা করছে। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া সম্ভব হচ্ছে না বিভৎসভাবে পুড়ে যাওয়ায়। তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হচ্ছে যাতে পরবর্তীতে সনাক্ত করা যায়।

এই ঘটনায় কমলাপুরের ঢাকা রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৫টায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সকাল পৌনে ৭টার দিকে আগুন নেভায়।

আগু‌নে মা ও শিশুসন্তানসহ চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- নাদিয়া আক্তার পপি (৩৫) ও তার শিশুসন্তান ইয়াসিন (৩)।

এদিকে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের তিনটি বগিতে নাশকতার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews