1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
যুক্তরাষ্ট্র নয়, ডেনমার্ককেই ‘বেছে নিল’ গ্রিনল্যান্ড - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্র নয়, ডেনমার্ককেই ‘বেছে নিল’ গ্রিনল্যান্ড

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে
137

আন্তর্জাতিক ডেস্ক // যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা গ্রিনল্যান্ড ‘নাকচ করে দিয়ে’ বলেছে, তারা ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।

দ্বীপটিকে দখলে নেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

তবুও যুক্তরাষ্ট্র নয়, প্রয়োজনে ডেনমার্কের সঙ্গেই থাকতে চায় গ্রিনল্যান্ড— এমনটাই জানিয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স–ফ্রেডেরিক নিলসেন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনও এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে সতর্ক করেছেন, শক্তি প্রয়োগের চিন্তা পুরো ট্রান্স-অ্যাটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ডেনমার্ক যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার দ্বীপ ইউরোপের দেশটির অংশ হয়ে থাকতেই পছন্দ করবে।

এখনকার পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক থেকে স্বাধীন হওয়ার পরিকল্পনাও ‘তাকে তুলে রাখছে’, নিলসেনের মন্তব্যে তারই ইঙ্গিত মিলেছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

কোপেনহেগেনে ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে নিলসেন বলেছেন, আমরা এখন এক ভূরাজনৈতিক সংকটের মুখে, এখন আমাদেরকে যদি এখনই যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হয়, তাহলে আমরা ডেনমার্ককে বেছে নেবো। আমরা বেছে নেবো সেই গ্রিনল্যান্ডকে যাকে আমরা চিনি, যেটি কিংডম অব ডেনমার্কের অংশ।

বুধবার ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ডেনিশ ও গ্রিনল্যান্ডের দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের আগে তার এ মন্তব্য এল। এ বৈঠকের লক্ষ্যই হচ্ছে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক হুমকিতে লাগাম টানা এবং কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিকের এ দ্বীপটিকে নিয়ে সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে তা মেরামত করা।

পরিস্থিতিকে ‘খুবই গুরুতর’ অভিহিত করে নিলসেন আরও বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক হুমকিধামকি পুরোপুরি ‘সীমা ছাড়িয়ে গেছে’।

ট্রাম্প বলছেন, তিনি আর্থিক উপায়ে বা সামরিক বল প্রয়োগ, যে কোনো ভাবেই হোক গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবেন।

নিলসেনের মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, এমন অবস্থান গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি করবে। এটা তাদের সমস্যা। তাদের সঙ্গে আমি একমত নই। আমি জানি না তিনি কে। তার সম্বন্ধে কিছুই জানি না, কিন্তু এটা তার জন্য বড় সমস্যা হতে যাচ্ছে।

গ্রিনল্যান্ড কি স্বাধীনতার আলোচনা পরিত্যাগ করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে নিলসেন বলেছেন, “এটা সময় একসঙ্গে দাঁড়ানোর। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সঙ্গেই রয়েছে এবং সাংবিধানিক নীতির সুরক্ষায় পুরোপুরি ঐক্যবদ্ধ আছে।”

এই অবস্থানে তাদের সঙ্গে আছে যুক্তরাজ্য, জার্মানিসহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও। তারা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতির কথাও ভাবছে, যার মাধ্যমে ট্রাম্পকে বোঝানো যাবে—ইউরোপ আর্কটিকের নিরাপত্তার বিষয়টিকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।

সোমবার রাতে রুবির সঙ্গে বৈঠকের পর জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইওহান ভাদেফুল বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সমঝোতায় পৌঁছাতে’ পারবে বলে তিনি আশাবাদী।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews