1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
যৌনকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু: প্রেমিক সন্দেহে আটক, পরে মুক্ত - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরনাম :
স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল করা হয়েছে ‘খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম’ মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও আলোচনা সভায় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও ঐক্যের আহ্বান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসায় রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন, ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে নতুন পরিচয়ে সাংবাদিক বেলাল নারী কর্মীকে ঘিরে মেহেন্দিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রশাসনিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

যৌনকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু: প্রেমিক সন্দেহে আটক, পরে মুক্ত

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
  • ১২৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
46

টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লিতে বাসনা আক্তার (১৯) নামে এক তরুণ যৌনকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার নিজ ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা তার কথিত প্রেমিক মাসুদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

স্থানীয় যৌনকর্মীদের দাবি, বাসনাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে, আর এ ঘটনার পেছনে রয়েছে তার প্রেমিক মাসুদ। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

জানা গেছে, শৈশব থেকেই পরিবারহীন বাসনা কান্দাপাড়া যৌনপল্লিতে বড় হন এবং পরবর্তীতে পেশাগতভাবে যুক্ত হন যৌনকর্মে। তার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চর খিদিরপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে ও পেশায় রিকশাচালক মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

পল্লির একাধিক যৌনকর্মীর ভাষ্যমতে, মাসুদ প্রায়ই বাসনার ঘরে যাতায়াত করতেন এবং তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। ঘটনার দিন বাসনা তাকে ফোনে ডেকে আনেন। মাসুদ রেক্টিফাইড স্পিরিট হাতে বাসনার ঘরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ মাসুদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে বাসনাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে মাসুদকে ধরে মারধর করেন তারা এবং হাত-পা বেঁধে ফেলে পুলিশে খবর দেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মো. তানবীর আহাম্মেদ জানান, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

তিনি আরও জানান, মাসুদকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

— তদন্ত চলছে, অপেক্ষায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews