1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
সাংবাদিককে গালিগালাজ করে মোবাইল কেড়ে নিলেন পরীমনি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

সাংবাদিককে গালিগালাজ করে মোবাইল কেড়ে নিলেন পরীমনি

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

বিনোদন ডেস্ক // ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় এক সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিয়ে গালিগালাজ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।

এদিকে, পরীমনির সঙ্গে আসা তার নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় মাথা ফেটেছে আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীর।

বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব ঘটনা ঘটে। এদিন পরীমনির আদালতে আসাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আগের দিন আদালত পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।

 

আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে পরদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে পৌঁছান পরীমনি।

ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে গাড়িতেই বসে ছিলেন পরীমনি। তাকে ঘিরে রাখেন তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। আশপাশ দিয়ে মানুষের চলাচলও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করেন তারা।

কালো পোশাক পরিহিত ১১ জন নিরাপত্তারক্ষী এবং সাধারণ পোশাকে আরও কয়েকজনকে তাকে ঘিরে রাখতে দেখা যায়।

এদিকে, পরীমনি আত্মসমর্পণ করবেন জেনে অনেক সাংবাদিক আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় জমান।

সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের উদ্দেশে রওনা হন পরীমনি। তার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে এজলাসে নিয়ে যান। এ সময় সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা।

লিফটে ওঠার সময় ভিডিও করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল কেড়ে নেন পরীমনি। পরে রবিউল হোসাইন টান দিয়ে মোবাইল ফিরিয়ে নেন।

 

ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমানের আদালতে যান পরীমনি। পরে শুনানি শুরু হয়। আদালতের বেঞ্চে বসে থাকা পরীমনি আসামির কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেন।

জামিন নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময়ও পরীমনিকে ঘিরে রাখেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন তারা।

তাদের ধাক্কায় আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। তার মাথা থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়।

সুজন চন্দ্র মনি দাসের ভাই বলেন, “আমরা আদালতে এসেছিলাম। এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। নায়িকা পরীমনির নিরাপত্তারক্ষীরা ধাক্কা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।”

তিনি তার নাম বলতে চাননি।

এদিকে, নিচে এসে গাড়িতে ওঠার আগে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনকে দেখে তেড়ে যান পরীমনি। এ সময় সাংবাদিকদের গালিগালাজ করেন তিনি। পরে আদালত প্রাঙ্গণ ছাড়েন তিনি।

পরীমনির নিরাপত্তারক্ষীরা আরও অনেক সাংবাদিককে ধাক্কা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আহত সুজন চন্দ্র

এসব বিষয়ে পরীমনির বক্তব্য জানার চেষ্টা গণমাধ্যম।

২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পরিদর্শক মনির হোসেন আদালতে পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই বছরের ১৮ এপ্রিল আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন হাজির হতে সমন জারি করেন। ওই দিন আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তারা।

গত বছরের ২৬ জানুয়ারি পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জুনাইদ।

সেদিন পরীমনি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন পান পরীমনি।

এরপর ২৭ মার্চ এ মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিভিশন দায়ের করেন এ চিত্রনায়িকা। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নবম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাজ্জাদুর রহমান খান আবেদন খারিজ করে দিয়ে মামলা চলতে কোনো বাধা নেই বলে আদেশ দেন।

সূত্র: বিডি নিউজ

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews