
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এবং ৩০টি লিড এজেন্সির মালিকদের কাছে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের কড়া বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে হজযাত্রীদের কোরবানি ও মাশায়ের ট্রান্সপোর্টসহ সব যাতায়াত ব্যবস্থাপনার ব্যয় ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। সৌদি কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেমেন্ট সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট হাজিদের ভিসা ইস্যু করার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হবে।
এ অবস্থায় সব হজ এজেন্সিকে হজযাত্রীদের কোরবানি ও পরিবহন ব্যয় পরিশোধ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।