1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আশুলিয়ায় ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

আশুলিয়ায়  ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

রাজধানীর উপকণ্ঠে আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকার চায়ের দোকানের সামনে থেকে একটি ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার করে তা নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল। বোমাটি ছিল একটি প্রেশার কুকারের মধ্যে; সেটি উদ্ধারের কয়েকঘণ্টা আগে এক ব্যক্তি ওই প্রেশার কুকারটি ব্যাগের ভেতরে করে দোকানের সামনে ফেলে যান।

আশুলিয়া থানার ওসি বলছেন, শুক্রবার রাতে দোকানের সামনে থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসে সেটি নিষ্ক্রিয় করে।

বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একটি প্রেসার কুকারের ভেতর বিয়ারিংয়ের বল ও রাসায়নিক ঢুকিয়ে বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল।

তার ভাষ্য, বোমাটি যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল।

ডিএমপির কাউন্টারিজম ইউনিটের বোম ডিসপোজাল ইউনিটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চারাবাগ এলাকার একটি চায়ের দোকানে বোমাটি ফেলে যান এক ব্যক্তি। তিনি ওই দোকানে এসেছিলেন ৫০০ টাকার নোট ভাঙাতে। দোকানদার বলেছিলেন তার কাছ থেকে ভাঙতি নেই। এরপর ওই ব্যক্তি কিছুক্ষণের জন্য ব্যাগটি রাখার কথা বলে সেখান থেকে কেটে পড়ে। ঘন্টাখানেকের বেশি সময় পর চায়ের দোকানে আসা লোকজন সন্দেহবশত ব্যাগ খুলে তার ভেতর স্কচটেপ মোড়ানো একটি প্রেশার কুকার দেখতে পায়। এরপর তারা পুলিশে খবর দেয়।

বোমাটি নিষ্ক্রিয়করণ কীভাবে হল তা জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, রাত প্রায় ১ টার দিকে বম ডিসপোজাল ইউনিটে ওই বোমাটি নিষ্ক্রিয়করণের জন্য কল আসে। রাত ৩ টার দিকে বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি উদ্ধার করে। এরপর শুক্রবার ভোর বেলায় পাশের একটি খালি মাঠে গর্ত খুঁড়ে, চারপাশে বালুর বস্তা চাপা দিয়ে বোমাটির নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও বিস্ফোরণের কম্পনে একটি সীমানা দেওয়াল ধসে পড়ে বলে জানিয়েছেন বোম ডিসপোজাল ইউনিটের ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলছেন, প্রেসার কুকারের মধ্যে প্রচুর সংখ্যক বিয়ারিংয়ের বল দিয়ে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল। বিস্ফোরক হিসেবে কোন ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল তা পরীক্ষার পর বলা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গেল ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘পাইপ বোমা’ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিন ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রা। ওই বোমাটি পরিত্যক্ত ছাতার মধ্যে রাখা হয়েছিল।

‘শক্তিশালী বোমাটি’ (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করা হয় জানিয়ে পুলিশ বলেছিল, তাদের ধারণা সেটি পাতা হয়েছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রার পথ লক্ষ্য করে।

পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী অবশ্য বলেছিলেন, ছাতার ভেতরে থাকা লাইট জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে আমরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলি এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসে সেটা নিষ্ক্রিয় করে।

ওই ঘটনায় মামলার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোহাম্মদ শামসুল হক বলেছিলেন, ছাতার সঙ্গে বোমাটি এমনভাবে লাগানো ছিল যে, ছাতাটি ফোটালেই বিস্ফোরণ হত। তাতে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারত।

তবে পরে, উল্টোরথ যাত্রাপথে ‘পাইপ বোমার’ ঘটনাটি ‘কাকতালীয়’ বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছিলেন, রথযাত্রা এবং উল্টোরথযাত্রা যেন সুচারুভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য আমাদের সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। এই ডিভাইসটা (পাইপ বোমা) ঘটনাক্রমে কাকতালীয়ভাবে ওই দিন পাওয়া যায়। এটার সাথে রথযাত্রার কোনো সম্পর্ক নাই বলে মনে করি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews