1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ঊর্ধমুখী মাছ-মাংসের দাম - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, র‍্যাবের হাতে মূলহোতা আটক মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দেড় বছর পর আবারও চালু হলো ১০ শয্যার আইসিইউ সেবা পাটগাতী-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাঁশের হাট, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি খুলনা-বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট এক মাসের জন্য স্থগিত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা জামায়াত কর্মীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ, দাবি রাশেদ খাঁনের বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০

ঊর্ধমুখী মাছ-মাংসের দাম

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে
অনলাইন ডেস্ক // রাজধানীর বাজারে মুরগি ও সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ ও মাংসের দাম এখনও ঊর্ধমুখী। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারের এই বিপরীতমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে করে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় নাভিশ্বাস উঠছন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে এদিন রাজধানীর বাজারে মুরগির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সোনালি মুরগি এখন ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। পটল, করলাসহ বেশিরভাগ গ্রীষ্মকালীন সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতারা মুরগি ও সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়।

বিভিন্ন বাজারের সূত্রে জানা গেছে, মাঝারি মানের রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৩৭০ টাকা এবং বড় রুই ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া, পাবদা, শোল ও টেংরাসহ প্রায় সব মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাছের পাশাপাশি গরু ও খাসির মাংসের দামও আগের মতোই নাগালের বাইরে রয়েছে। গরু ৮০০ এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আগে যে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ছিল সহনীয়, এখন সেই ভাড়া পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এই বাড়তি পরিবহন খরচ পণ্যের মূল্যের সঙ্গে যোগ হওয়ায় খুচরা বাজারে দামের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। চালের বাজারে মাঝারি মানের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।

এছাড়া ডিমের বাজারে গত এক সপ্তাহ ধরে অস্থিরতা যেন থামছেই না। এক ডজন ডিম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ১১০ টাকার মধ্যে ছিল। এছাড়া চিনি ও পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খোলা চিনির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০ টাকায়। তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষ খোলা তেল কিনছেন।

লাগামহীন এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সঙ্গতি মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকারি তদারকির অভাবে ইচ্ছামতো দাম হাঁকানোর সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews