1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, জনপ্রশাসনের কামাল কারাগারে - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার ভাতা পাবে: মির্জা ফখরুল বাজারে কমছে না দাম, চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত বাগেরহাটে ১৬০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার মোরেলগঞ্জে যুব উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে অসহায় মানুষের পাশে কোস্ট গার্ড: বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ জাতীয় সংসদে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি করার দাবি বাপের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, মেয়েকে মারধরের অভিযোগ ভগ্নিপতির ব্রাশের আঘাতে শিক্ষক আব্দুর রহিম স্যারের চোখ জখম, পানবাড়িয়ায় উত্তেজনা-বিক্ষোভ! হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা ফের চালুর ঘোষণা ভারতের

চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, জনপ্রশাসনের কামাল কারাগারে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ বিষয়ে দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বলেন, আসামি কামাল হোসেন গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। ২৩ ডিসেম্বর মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। ওইদিন আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়। তবে আসামি দুইবার জামিনের শর্ত পালন না করায় জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে তিনি আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা সাজিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে চরম প্রতারণা ও জালিয়াত করেছেন। এই জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেন।

কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জাল–জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কামাল হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখার সময় বাবার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। পরবর্তী সময় একই স্কুলে নবম শ্রেণিতে তিনি তার আপন চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজিয়ে নিবন্ধন করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews