1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বরিশালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সংঘর্ষ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, র‍্যাবের হাতে মূলহোতা আটক মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দেড় বছর পর আবারও চালু হলো ১০ শয্যার আইসিইউ সেবা পাটগাতী-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাঁশের হাট, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি খুলনা-বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট এক মাসের জন্য স্থগিত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা জামায়াত কর্মীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ, দাবি রাশেদ খাঁনের বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০

বরিশালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে সংঘর্ষ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ২৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বরিশাল নগরীর বাকলার মোড় এলাকার বেসরকারি কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে হট্টগোল, দফায় দফায় হামলা এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনসহ উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১০ জুন) বিকেলে এই রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ানোর আগেই নিষ্পত্তি করা হয়।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত রোগীর নাম মনির খান (৩৮)। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর বাহেরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল হকের ছেলে।

 

মৃত মনিরের চাচাতো ভাই ফয়সাল রিয়াজ মিরন অভিযোগ করে বলেন, বড় ধরনের স্ট্রোকের পর মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকেলে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে আমরা বারবার কর্তব্যরত চিকিৎসককে ডাকলেও তিনি দীর্ঘ সময় পর আসেন। এসে রোগীর পালস না পেয়ে অন্যত্র রেফার করার পরামর্শ দেন। এ নিয়ে স্বজনদের সাথে চিকিৎসকের প্রথম দফায় বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে ইসিজি করার পর মনিরের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া যায়।

 

স্বজনদের আরও অভিযোগ, মনিরের মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ‘মৃত্যু সনদ’ (ডেথ সার্টিফিকেট) চাওয়া হলে তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো স্বজনদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ এনে ক্ষমা চাওয়ার শর্ত দেন। ফয়সালের দাবি, এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে একপর্যায়ে রোগীর ভগ্নিপতি মো. মেহেদিকে হাসপাতালের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে অবরুদ্ধ করে বেধড়ক মারধর করা হয়। খবর পেয়ে অন্য স্বজনরা এগিয়ে এলে হাসপাতালের কর্মচারীরা পিছু হটেন।

 

অন্যদিকে চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগ এনে হাসপাতালের কর্মকর্তা মো. কাওছার হোসেন বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা কোনো কিছু না বুঝেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তারা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শুভেন্দ্র হালদার শিপুর কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশ করে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর চালান এবং ডাক্তারকে বেধড়ক মারধর করেন। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

 

খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত বাকলার মোড়ের ওই হাসপাতালে পৌঁছায়। তারা উত্তেজিত দুই পক্ষকে শান্ত করে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান বলেন, কেএমসি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে উভয় পক্ষ থানায় এসে আলোচনায় বসেন এবং নিজেদের মধ্যে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করে নেন। এই ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews