1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভুল রক্তে ঝরে গেল মায়ের প্রাণ, জন্মের ৪ দিনেই এতিম শিশু - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

ভুল রক্তে ঝরে গেল মায়ের প্রাণ, জন্মের ৪ দিনেই এতিম শিশু

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

ভোলায় ভুল রক্ত শরীরে প্রবেশ করানোয় লামিয়া (১৯) নামের এক প্রসূতি রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর ক্রস ম্যাচিং ছাড়াই ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে চিকিৎসকরা ‘বি’ পজিটিভ রক্ত দেয়ায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটেছে ভোলা শহরের ‘বন্ধন হেলথ কেয়ার’ নামের একটি ক্লিনিকে।

 

এ ঘটনায় নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা অভিযুক্ত ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভও করেছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
 
নিহতের ভাসুর মো. রাজিব জানান, বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রসূতি লামিয়াকে ভোলা শহরের বন্ধন হেলথ কেয়ারে ভর্তি করানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে সিজারিয়ানের (অস্ত্রোপচারের) মাধ্যমে ছেলেসন্তান জন্ম দেন তিনি।
 
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ক্রস ম্যাচিংয়ের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা নেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ক্রস ম্যাচিং ছাড়া ‘ও’ পজিটিভের পরিবর্তে এক ব্যাগ ‘বি’ পজিটিভ রক্ত রোগীর শরীরে দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরই রোগীর খিঁচুনি দেখা দেয় এবং অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করা হয়।’
 
রাজিব আরও জানান, বরিশালে আইসিইউ ও লাইফ সাপোর্টে চার দিন থাকার পর সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় লামিয়ার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সনদে (ডেথ সার্টিফিকেট) ভুল রক্ত দেয়ায় মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
 
এদিকে মৃত্যুর খবর ভোলায় পৌঁছালে রাতে স্বজনরা বিক্ষোভ করে বন্ধন হেলথ কেয়ারে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিচারের দাবিতে তারা ক্লিনিকটি ঘিরে বিক্ষোভ করতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার। তিনি বিক্ষুব্ধ স্বজনদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
 
হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে আসেন ভোলা সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ ক্লিনিকের সামনে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews