1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তের মুখে বাবুগঞ্জের মৎস্য কর্মকর্তা। - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তের মুখে বাবুগঞ্জের মৎস্য কর্মকর্তা।

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৬২ 0 বার সংবাদি দেখেছে
নিউজ ডেস্ক।। 
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে চলা অবৈধ মাছ শিকার ও রেনু পোনা আহরণের অভিযোগ অবশেষে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছেছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে মৎস্য অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্তে মাঠপর্যায়ে নামার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জিয়া হায়দার চৌধুরী।
স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নদী থেকে মাছ ও রেনু পোনা আহরণ করছে। পরে রাতের আঁধারে ট্রাক ও বিভিন্ন পরিবহনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার করা হচ্ছে এসব রেনু পোনা। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় এই অবৈধ বাণিজ্য নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
বিশেষ করে মীরগঞ্জ খেয়াঘাটসহ কয়েকটি স্পর্শকাতর পয়েন্ট এখন রেনু পোনা পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা বলছেন, প্রকাশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চললেও দীর্ঘদিন কার্যকর কোনো অভিযান বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হবে।
আমাদের ডিজি স্যারও বিষয়টি অবগত রয়েছেন।”
এদিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ.এফ.এম. নাজমুস সালেহীনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীকেন্দ্রিক এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকৃত জেলেরা।
তারা বলছেন, শুধু অভিযান নয়, পুরো সিন্ডিকেটের পেছনের প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় সাময়িক অভিযান দিয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। পরে অবগত হয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
অন্যদিকে বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. মোহসীন বলেন, “অবৈধ মাছ শিকার ও রেনু পোনা আহরণের বিষয়ে পাওয়া প্রতিটি তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।”
এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলা এই অবৈধ বাণিজ্যের পেছনে কারা ছিল, কেন এতদিন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং তদন্ত শেষে আদৌ দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews