
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য কে এম বাচ্চু বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, গভীর সাগরে ডলফিনটি দুই থেকে তিন দিন আগে মারা গেছে। কিভাবে প্রাণীটি মারা গেছে সেটি নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। তবে এটির পেট এবং পিটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য জুয়েল রানা ডলফিনটি দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেন। পরে আমরা বন বিভাগকে খবর দেই।’
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, সমুদ্রের পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ায় সামুদ্রিক প্রাণীগুলো এভাবে মারা যাচ্ছে। আজকে ভেসে আসা ডলফিনটি ইরাবতি প্রজাতির। সম্ভব হলে আমরা স্যাম্পল সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করব।
মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্চ কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, ঘটনাস্থলে বনকর্মীদের পাঠানো হয়েছে। ডলফিনটির নমুনা সংগ্রহ করা হবে এবং পরে প্রাণীটিকে মাটি চাপা দেওয়া হবে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির তথ্যমতে, চলতি বছরে মোট ৪টি ইরাবতি, একটি নতুন প্রজাতির এবং ২২ সালে ১৯টি মৃত ও জীবিত ডলফিন ভেসে এসেছে এ সৈকতে। এর আগে গত ১১ মে সৈকতের ঝাউবন এলাকায় দুটি মৃত ইরাবতি ডলফিন ভেসে আসে।