
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থানরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ে।
এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে; তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে কেউ গুলিবিদ্ধ নন।
এছাড়া কয়েকজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দাবি করা হয় জাবের গুলিবিদ্ধ। এক স্ট্যাটাসে বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ। জুমা ও শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’
তবে ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ইমরান হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ২০-২৫ জন রোগী এসেছে। তাদের সবাই আহত। তবে গুলিবিদ্ধ বা রাবার বুলেটবিদ্ধ কেউ এসেছে কিনা সেটা এখনই বলতে পারব না। অনেকেরই ভর্তি ছাড়া চিকিৎসা চলছে।
এর আগে আন্দোলনের সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জসহ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হলে তাদের দ্রুত সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।