
আজ সোমবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটে তার মরদেহ বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এ সময় নিহতের স্বজনরা ছাড়াও সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পরে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিকদের গুরুত্ব সরকারের কাছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আলী আহমেদের পরিবারের পাশে থাকবে সরকার। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে আরও ১৪ জন আহত হয়েছে; যাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের ঝুকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে প্রবাসীদের অনুরোধ জানান তিনি।
জানা গেছে, এয়ারপোর্টের সার্বিক কার্যক্রম শেষে অভ্যন্তরীণ বিমানযোগে মরদেহ নেওয়া হয় সিলেটের মৌলভীবাজারে। গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানেই তাকে সমাহিত করা হবে।
স্বজনরা জানান, আহমেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করতেন। ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি নিহত হন।