1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিউজ ডেস্ক ।।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষক প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা এই নববর্ষের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ পায়। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরে এবং ঐক্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। নতুন বছরের আগমন তাই নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে, যেখানে প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশাবাদ মিলেমিশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষক, কৃষি ও কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি। নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে আবারও জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews