1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাড়ির ছাদে ২১ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বাড়ির ছাদে ২১ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // বাড়ির ছাদে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক বাগান। যেখানে চাষ হচ্ছে ২১টি বিদেশি জাতের আঙুর। প্রতিটি গাছে ঝুলছে থোকায় থোকায় বিভিন্ন রঙের আঙুর, যা দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একসময় শুধুই শখের উদ্যোগ হিসেবে শুরু হলেও এখন তা এলাকায় নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

বরিশালের বাবুগঞ্জের কেদারপুর ইউনিয়নের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাবুগঞ্জ বন্দরের কাপড় ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন নিজের বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছে এই বাগান। শখের বসে শুরু করা আঙুর চাষে মাত্র এক বছরের মধ্যেই পেয়েছেন চমকপ্রদ সফলতা।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে জিও ব্যাগে চারা রোপণ করেন আরিফ। নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করায় এক বছরের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তার ধারণা, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আঙুর পুরোপুরি পরিপক্ক হবে এবং তখন বাজারজাত করা সম্ভব হবে।

তার বাগানে একেলো, বাইকুনুর, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ব্ল্যাক জাম্বোসহ ২১টি উন্নত জাতের আঙুর রয়েছে। জাতগুলো বেশিরভাগ রাশিয়া, ইউক্রেন ও তুরস্কের বলে জানিয়েছেন আঙুর চাষি আরিফ। চলতি মৌসুমে প্রায় ২০০ কেজি আঙুর বাজারজাতের আশা করছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানে লাল, কালো ও সবুজ রঙের আঙুর রয়েছে। কিছু আঙুর লম্বা আকৃতির, আবার কিছু গোল আকৃতির।

আরিফ হোসেন বলেন, ব্যবসার ফাঁকে শখের বসে শুরু করেছিলাম। অনলাইনে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করে নিয়ম মেনে পরিচর্যা করেছি। এত দ্রুত ফল পাবো ভাবিনি। ভালো দাম পেলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ বাড়ানোর ইচ্ছা আছে। অনেক সময় বিভিন্ন ওষুধের ভুল প্রয়োগে কিছু আঙুর নষ্ট হয়েছে। যদি কৃষি বিভাগের তদারকি পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের দেশেই মিষ্টি আঙুর চাষ সম্ভব।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ বলেন, দেশে এখন বিভিন্ন এলাকায় আঙুর চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তবে ফলের মান ও মিষ্টতা ধরে রাখতে পারলে বাজারমূল্য ভালো পাওয়া যায়। কৃষি বিভাগ এ ধরনের চাষে আগ্রহীদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে আঙুর চাষ খুব বেশি উপযোগী না হলেও নতুন নতুন জাত নিয়ে পরীক্ষামূলক চাষ বাড়ছে। গবেষণার মাধ্যমে উপযোগী জাত নির্বাচন করা হচ্ছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে ফলের মিষ্টতা কম হওয়ায় অনেকেই আগ্রহ হারান।

স্থানীয় যুবক রিয়াজ সরদার জানান, ছাদে এভাবে আঙুর চাষ তাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। এটি দেখে তারাও আগ্রহী হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, অনেকেই এখন আরিফের ছাদ বাগান দেখতে আসছেন এবং তার কাছ থেকে চাষের কৌশল শিখছেন। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে ছাদভিত্তিক আঙুর চাষ ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews