1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
৪৬ বছর পর প্রাণ ফিরে পেল মৃতপ্রায় স্বনির্ভর খাল - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

৪৬ বছর পর প্রাণ ফিরে পেল মৃতপ্রায় স্বনির্ভর খাল

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ৬৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ‘আন্ধার মানিক’ নদী লাগোয়া ঐতিহ্যবাহী স্বনির্ভর খাল। ১৯৮১ সালে এই খাল নির্মাণ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান। এরপরে কেটে গেছে দীর্ঘ ৪৬ বছর। যা সময়ের ব্যবধানে পরিচর্যার অভাবে পরিণত হয়েছে প্রায় মৃত খালে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কৃষিতে অত্যন্ত উপযোগী ও নিষ্কাশন ব্যবস্থায় অতি প্রয়োজনীয় এই খালটি। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু মানুষের জীবন ও জীবিকা।

তবে দীর্ঘ কয়েক দশকে মিঠাগঞ্জ ও বালিয়াতলী ইউপির মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা এই খালটির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নানাবিধ সমস্যায় ভুগছিলেন দুই পাড়ের বিশ হাজারেরও অধিক মানুষ। বর্তমান সরকারের খাল পুন:খনন প্রকল্পে হাসি ফুটেছে কৃষক, খামারি ও জেলেসহ সব শ্রেণির মানুষের মুখে।

এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী। তারা বলছেন, শহীদ জিয়ার সেই খাল খনন কার্যক্রম আবারও ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এই খালের ৫ কিলো ৪০০ মিটার খনন কাজের মাটি কেটে উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন। এ সময় কোদাল হাতে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে খনন কাজে যোগদান করেন।

স্থানীয় বাইশাখোলা গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, দীর্ঘ অনেক বছর যাবত খালটি প্রায় মৃত অবস্থায় ছিল। পানি প্রবাহ একেবারে নেই বললেই চলে। এই খালের দুই পাড়ে অন্তত ১০ হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু শুকনা মৌসুমে পানির অভাবে কৃষিসহ বিভিন্ন কাজে সংকট দেখা দেয়। একটা সময় দীর্ঘতম এই খালের পানিতে মাছ শিকার করে অনেক মানুষের জীবিকা নির্বাহ হতো। যা আজ মৃত খালে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সরকারি উদ্যোগে এই খালের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। এতে এলাকার সবাই খুশি।

কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম বলেন, ঐতিহ্যবাহী দীর্ঘ এই খালের খনন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ২২ হাজার ২৯০ টাকা।

শুধু খনন কাজেই নয়, ৭০ ফুট প্রস্থ ও ১০ ফুট গভীরতার এই খালের খনন প্রক্রিয়া শেষে দুইপাড়ে গড়ে তোলা হবে বৃক্ষ বনায়ন। এছাড়া পানি নিষ্কাশনে রয়েছে কালভার্ট নির্মাণ ও পাইপ স্থাপন ব্যবস্থা।

খাল খনন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন যুগে পদার্পণ করছে বলে জানান, পটুয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছরে নানান সরকার ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু তারা কেউই কোনো প্রকল্প গ্রহণ করেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিনি খাল খনন করবেন এবং তিনি তা করে দেখাচ্ছেন। এই খাল খনন প্রক্রিয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews