
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, রোজার কারণে এ পরীক্ষা এক মাস এগিয়ে আসছে। তা না হলে আমরাতো চেয়েছিই এটা ফেব্রুয়ারির লাস্ট উইকে নিতে। এখন আবার শুনছি রোজার পরে এটা শেষ করার কথা। আমরাতো স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেই কাজ করছি।
তবে এ পরীক্ষা এগিয়ে আনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা চলছে বলে সাংবাদিকরা তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, তো ঠিক আছে, পাবলিক অপিনিয়ন যদি হয়, আবারও আমরা বসতে পারি।
তার কথায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশের সিংহাভাগ মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
আগামী বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে আয়োজনের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী গত ১৪ মে ঘোষণা দিয়েছিলেন। যা নিয়ে শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন জীবন থেকে ‘সময় বাঁচাতে’ নেওয়া এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছিলেন শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষা প্রশাসনের সাবেক ও বর্তমান কর্তারা।
যদিও এ উদ্যোগ বর্তমানে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের শঙ্কিত করছে।
একদিকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠলাভ করা এ শিক্ষার্থীরা নবম দশম শ্রেণিতে ২০১০ সালের শিক্ষাক্রমে পড়েছেন। অপরদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নবম শ্রেণিতে দেরিতে বই পেয়ে তারা ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বসার প্রস্তুতিতে ছিলেন।
তাই এই পরীক্ষায় বসতে যাওয়া প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী এ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অনেকে আশঙ্কা আছে।
এদিকে ‘হুট করে’ নেওয়া এ ধরণের উদ্যোগ এই বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে বলে আশঙ্কা করেন মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ।