1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ঘূর্ণিঝড়ে ঘর হারানো বৃদ্ধার বসবাস খোলা আকাশের নিচে - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
দুর্নীতিমুক্ত বিআরটিসি ডিপো গঠনে কাজ করছেন ম্যানেজার জুলফিকার, অপ-প্রচারে ক্ষোভ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাদের! উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উজিরপুরে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কোচের বিরুদ্ধে রোনালদোর বিস্ফোরক দাবি ‘১০ নম্বরের গল্পটা কখনও শেষ হবে না’ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮১ বিমান-ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত, ব্যয় ৩৩০ কোটি ডলার ভোলায় মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, দুশ্চিন্তায় ২ লক্ষাধিক জেলে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু! ম্যানগ্রোভ প্রকল্পের চার শতাধিক গাছ ধ্বংসের অভিযোগ

ঘূর্ণিঝড়ে ঘর হারানো বৃদ্ধার বসবাস খোলা আকাশের নিচে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৯২ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গুমুরিয়া গ্রামের রিনা বেগমের জীবনে যেন দুঃখের শেষ নেই। প্রায় চার মাস আগে একটি ছোট ঘূর্ণিঝড়ে তার জরাজীর্ণ বসতঘরের চাল উড়ে যায়। এরপর থেকে খোলা আকাশের নিচেই দিন কাটছে তার। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য ভিটাটুকুই এখন তার একমাত্র সম্বল। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে দীর্ঘ চার মাসেও ঘরটি মেরামত করতে পারেননি তিনি।

 

ঘরে ঢুকলেই চোখে পড়ে দুটি খাট এবং কয়েকটি ভাঙা টিনের টুকরো। বসবাসের উপযোগী কোনো পরিবেশই সেখানে নেই। বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় ঘরের ভেতর। দিনের বেশিরভাগ সময় ঘরের সামনে বসে কাটান রিনা বেগম। রাতে বৃষ্টি হলে আশ্রয় নেন পাশের বাড়িতে, আর না হলে ভাঙা ঘরেই কোনোভাবে রাত পার করেন।

 

চার সন্তানের জননী রিনা বেগমের পারিবারিক অবস্থাও অত্যন্ত করুণ। তার এক ছেলে আত্মহত্যা করেছে। বাকি তিন ছেলের মধ্যে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন এবং দুইজন বাকপ্রতিবন্ধী। একমাত্র মেয়েকে পাশের বাড়িতে বিয়ে দিয়েছেন। মেয়েটি সুযোগ পেলেই মায়ের খোঁজখবর নেয়, তবে নিজের সংসারের সীমাবদ্ধতার কারণে খুব বেশি সহায়তা করতে পারে না। অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে রিনা বেগম উপজেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তার আবেদন করেছিলেন। তবে আবেদন করার পরও কোনো সহযোগিতা পাননি। আবেদনটির বর্তমান অবস্থাও তিনি জানেন না। বারবার প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করার মতো সামর্থ্য বা সহযোগী কেউ তার পাশে নেই।

রিনা বেগম বলেন, আমি খুব কষ্টে আছি। আমার ঘরে থাকা দুটি চৌকি বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। সারাদিন ঘরের সামনে বসে থাকি। রাতে বৃষ্টি হলে পাশের বাড়িতে গিয়ে ঘুমাই, না হলে এখানেই পড়ে থাকি। একবেলা খেলে আরেক বেলা না খেয়ে থাকতে হয়। আমার সন্তানগুলো প্রতিবন্ধী। তাদের নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হওয়া উচিত।

 

তারা বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন মাধ্যমে তদবির ছাড়া সহযোগিতা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। রিনা বেগমের তেমন কেউ নেই বলেই হয়তো তিনি এখনও সহায়তা থেকে বঞ্চিত। দ্রুত জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয় বাসিন্দা জইনউদ্দিন মিয়া বলেন, এই মহিলার ঘরটি চার মাস আগে ঝড়ে ভেঙে গেছে। এরপর থেকে তিনি খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। পরিবারটির অবস্থা অত্যন্ত মানবেতর।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম রিপন বলেন, আমি নিজে সঙ্গে থেকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে একটি সহায়তার আবেদন করেছি। কিন্তু বারবার যোগাযোগ করার পরও এখন পর্যন্ত পরিবারটিকে কোনো সহযোগিতা দেওয়া হয়নি।

 

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার বলেন, আমরা হয়তো সামান্য টিন দিয়ে পরিবারটিকে সহযোগিতা করতে পারি। তবে বর্তমানে টিন নেই। বরাদ্দ আসলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews