1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সংকট হবে না - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সংকট হবে না

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
অনলাইন ডেস্ক // চলতি এপ্রিল মাস তো বটেই, আগামী দুই মাসেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট তৈরি হবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

আজ বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী দুই মাসে জ্বালানির কোনো সমস্যা হবে না।’

ব্রিফিংয়ে উদ্ধার অভিযান ও বর্তমান মজুত পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন যুগ্মসচিব। তিনি জানান, ৩ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৯ হাজার ১১৬টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময় মোট ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয় এবং ৪৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে রয়েছে-ডিজেল ৩ লাখ ৬৬ হাজার লিটার, অকটেন ৩৯ হাজার ৭৭৬ লিটার এবং পেট্রল ৮৭ হাজার ৯৫৯ লিটার। এ ছাড়া সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৫ লাখ ৪২ হাজার ২৩৬ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বর্তমান মজুত পরিস্থিতি তুলে ধরে যুগ্মসচিব বলেন, দেশে বর্তমানে ডিজেল মজুত রয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন, পেট্রল ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন এবং ফার্নেস অয়েল ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন। এ ছাড়া জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে ১৮ হাজার ২২৩ মেট্রিক টন।

প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয় উল্লেখ করে জ্বালানি বিভাগের এই মুখপাত্র বলেন, ‘এপ্রিল মাসেও করা হয়েছে। আগামী মাসে কেমন দাম হবে তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।’

তিনি আরও বলেন, পেট্রল পাম্পে অতিরিক্ত ভিড়-এই সমস্যা ঢাকার বাইরে নেই। ঢাকায় সমস্যাটা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু প্যানিক বায়িংয়ের প্রয়োজন নেই। গত বছর একই সময়ে যে তেল পেট্রল পাম্পগুলোতে দেওয়া হয়েছে, এ বছরও পরিমাণের তেল দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ কোনোভাবেই কমানো হচ্ছে না। এতে তো সমস্যা হওয়ার কথা না।

শিল্প কারখানার ডিজেলে কোনো ঘাটতি নেই বলেও ব্রিফিংয়ে জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। তালিকা ধরে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারিভাবে ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews