
নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্পৃক্ত তিন কর্তৃপক্ষেকে একীভূত করে যাত্রা শুরু করা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ এর চেয়ারম্যান হিসেবেও আশিক চৌধুরী আগের মত প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পাবেন।
মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর জন্য প্রযোজ্য বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
“চেয়ারম্যানকে তার দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সহজীকরণে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে” এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
রোববার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত হয়ে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ যাত্রা করে।
‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ই এখন দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা, যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
বিরোধী দলের সদস্যদের আপত্তির মধ্যেই গত ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে পাস হয় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল, ২০২৬’। সেটি আইনের রূপ নেওয়ার পর তার অধীনেই নতুন সংস্থাটি যাত্রা করল। নতুন সংস্থার লোগোও সেদিন প্রকাশ করা হয়েছে।
সংস্থাটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে।
চব্বিশের আন্দোলন পরবর্তী ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকার ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর আশিক চৌধুরীকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে বেজার দায়িত্বও দেওয়া হয়।
তখন তাকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা দেওয়া হয়। পরে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল তাকে দেওয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা। এখন ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ এর প্রধান হিসেবেও তিনি একই মর্যাদা ভোগ করবেন।