1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের প্রকৃত স্বার্থ রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই এই মুহূর্তে সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য পূরণে সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া ওই বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। এবারের গণতন্ত্র দিবসের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য হলো ‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস- ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন কেবল ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠাই এর আসল উদ্দেশ্য। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দেশের মানুষের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনরায় ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের ইতিহাস টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন সময় এ দেশের মানুষের অধিকার হরণ করে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে মানুষের বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর আবারও জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণ কায়েম করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা সেই শাসনের অবসান ঘটিয়েছে বীর ছাত্র-জনতা এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।

বিএনপি সরকারে থাকুক বা বিরোধী দলে, সব সময়ই গণতন্ত্রের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক স্থিতিশীলতা গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য বলে বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews