
আজ শনিবার ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে খেলতে নামে দুদল। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় ম্যাচটি শুরু হয়। যেখানে বোলারদের দাপটে প্রথমে ব্যাট করা শ্রীলংকাকে ১২৪ রানে থামিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে এই সংগ্রহ গড়ে লংকানরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ও এক ওভার বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে বাংলাদেশ।
ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে রিশাদ বললেন, ‘আমি সেরাটা দেওয়া চেষ্টা করেছি এবং নিজের শক্তির জায়গায় অটল থাকতে চেয়েছি।’
১৮ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে আজ শ্রীলংকার বিপক্ষে সেরা বোলিং করেছেন এই লেগি। চার ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। যেখানে ১৫তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম উইকেটের দেখা পান রিশাদ। তাকে স্লগ সুইপ করে উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন চারিথ আশালাঙ্কা। ডিপ স্কয়ার লেগে তিনি ধরা পড়েন সাকিব আল হাসানের হাতে। ২১ বলে ১৯ রান করেন আশালাঙ্কা।
পরের বলেই রিশাদ পেয়ে যান শ্রীলংকান অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার উইকেট। লেগ সাইডে ঘুরিয়ে খেলতে গিয়ে আউটসাইড-এজড হন হাসারাঙ্গা। স্লিপে তার ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার।
ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা রিশাদের সেরা বোলিং ফিগারের পথে তৃতীয় শিকার। ফ্লাইট আর টার্নে পরাস্ত হন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। উইকেটের পেছনে স্টাম্পিংয়ের কাজ সারেন লিটন দাস। ধনঞ্জয়ার উইকেটের মধ্য দিয়ে সাকিব ও মেহেদী হাসানে পর তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের এক ইনিংসে ৩ উইকেট নেন রিশাদ।