
গতকাল রোববার (২৬ জুলাই) রাতে করা ওই মামলায় তিনি দাবি করেন, বিজ্ঞাপনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে একটি হাসপাতালে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
মামলার এজাহারে স্নিগ্ধা উল্লেখ করেন, ঘটনার পর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেননি। পরে ন্যায়বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামে অন্য এক নারী ভেবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্নিগ্ধার দাবি, ওই নারী অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন। ভুল পরিচয়ের কারণেই তাকে মারধরের শিকার হতে হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইমন নামের এক ব্যক্তি পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে তাকে ওই নারীর পরিচয় স্বীকার করতে চাপ দেন।
মামলায় স্নিগ্ধা দাবি করেছেন, নির্যাতনের সময় তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পাশাপাশি তার গলা চেপে ধরা, চুল টেনে ধরা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্নিগ্ধা চৌধুরী বাংলাদেশের পরিচিত মডেল ও অভিনেত্রী। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার।