
রোববার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। এর কিছুক্ষণ আগে একটি ফ্রি-কিক নেওয়ার পর তাকে বাম উরুর ওপরের অংশে হাত দিতে দেখা যায়। পরে নিজেই বদলির আবেদন করেন তিনি। তার জায়গায় মাঠে নামেন মাতেও সিলভেত্তি।
মাঠ ছাড়ার সময় মেসির হাঁটাচলায় বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তিনি নিজেই ড্রেসিংরুমে চলে যান।
ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামির কোচ গিয়ের্মো হোয়োস জানান, বিষয়টি মূলত ক্লান্তিজনিত। তিনি বলেন, ‘এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাইনি। তবে সে খুব ক্লান্ত ছিল। মাঠের অবস্থাও কঠিন ছিল। তাই ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
বিশ্বকাপের এত কাছে এসে মেসির এই অস্বস্তি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি করেছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। যদিও ম্যাচটি ছিল ইতিহাসগড়া এক লড়াই।
ম্যাচের শুরুতেই ফিলাডেলফিয়া ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। পরে মেসির বাড়ানো বল থেকে গোল করে ব্যবধান কমান জার্মান বেরতেরামে। তবে আবারও দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় প্রতিপক্ষ।
এরপর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইন্টার মায়ামি। লুইস সুয়ারেজ একের পর এক গোল করে দলকে ম্যাচে ফেরান। বেরতেরামে ও সুয়ারেজের গোলে প্রথমার্ধেই ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মায়ামি। পরে প্রতিপক্ষ আবার সমতায় ফিরলেও দ্বিতীয়ার্ধে সুয়ারেজের হ্যাটট্রিক ও রদ্রিগো দে পলের গোলে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানে জয় পায় মায়ামি।
প্রথমার্ধে মোট আটটি গোল হওয়ায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার ফুটবল লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের প্রথমার্ধ হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।
এই জয়ে ইন্টার মায়ামি পূর্বাঞ্চলীয় তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে। অন্যদিকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এখন দীর্ঘ বিরতিতে যাচ্ছে লিগের দলগুলো।
এখনও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা হয়নি। তবে শিরোপাধারীদের হয়ে মেসির খেলাটা প্রায় নিশ্চিত বলেই ধরা হচ্ছে। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।