
এর আগে, গতকাল রোববার এশার নামাজের পরই হাজিরা তাবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। মিনায় যাওয়ার আগে মুসল্লিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করেন।
হজের বিধান অনুযায়ী, মিনার এই তাঁবু শহরে অবস্থান করেই হাজিরা হজের মূল পর্বের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করেন। এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও আগামীকাল ৯ জিলহজের ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সঙ্গে আদায় করা সুন্নাত। এখান থেকেই শুরু হয় আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের এক মহাসফর। মিনায় আজকের এই অবস্থানের পরই আসবে হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। আগামীকাল ৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর হাজিরা রওনা হবেন পরম কাঙ্ক্ষিত আরাফাতের ময়দানে।
সেখানে হজের খুতবা শুনবেন হাজিরা। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় থেকে যেতে হবে মুজদালিফায়। সেখানে পৌঁছে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করে রাত্রীযাপন করবেন হাজিরা। ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত মুজদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব। তবে বয়স্ক ব্যক্তি এবং নারীরা চাইলে রাতেই পুনরায় মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারেন। এরপর শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের পরই পশু কোরবানি দেবেন হাজিরা। মাথা মুণ্ডনের পর হজের ফরজ তাওয়াফ করে সাফা-মারওয়া সায়ি করবেন।
এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জামারায় সাতটি করে ২১টি কঙ্কর নিক্ষেপ করা হবে। তারপর মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে বিদায়ি তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পবিত্র হজ।