1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
৫ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ইসির সংলাপে সাড়া দেবে ইসলামী আন্দোলন - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :

৫ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ইসির সংলাপে সাড়া দেবে ইসলামী আন্দোলন

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
  • ২১৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // জাতীয় নির্বাচনের আগে বরিশালসহ ৫ সিটি করপোরেশনের ভোটকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরীক্ষা হিসাবে দেখছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সংলাপে সাড়া দেবে চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম নেতৃত্বাধীন দলটি। এমনকি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও ইতিবাচকভাবে চিন্তা করবে। এর আগে ইসি সংলাপের আমন্ত্রণ জানালেও দলটি সাড়া দেয়নি। তবে এবার নিজ থেকে ইসি বরাবর চিঠি দিয়ে সাড়া দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে। সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বরাবর এ চিঠি পাঠানো হয়।

দলের মহাসচিব ইউনূস আহম্মেদ সেখ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘আপনার নেতৃত্বে কমিশন গঠিত হওয়ার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আহূত সংলাপে সাড়া না দেওয়া আপনার সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত মান-অভিমানের বিষয় ছিল না। বরং তা ছিল বিগত দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ার ও রাজনৈতিক আস্থাহীনতার কারণ। নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতায় যদি নির্বাচনে জনমতের প্রতিফলন না ঘটে এবং অযোগ্য ও অজনপ্রিয় ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হয় তাহলে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

ইসি ৫ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে কথা বলার পরিবেশ তৈরি করে দেবে বলে চিঠিতে আশা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন। গত ১৩ এপ্রিল প্রধান নির্বাচন কমিশন বরাবর এ চিঠি পাঠানো হয়। জানতে চাইলে দলটির কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ বা আলোচনা করার কোনো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে পারলে ইসির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তখন একটা পরিবেশও সৃষ্টি হবে।’

দলটির মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ সেখ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের পর বলেছিলেন, আপনারা সংলাপে আসুন, আগে তো আসেননি। আমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করেছি। যাব না তাও বলিনি, এখনই আসব তাও বলিনি। নির্বাচন কমিশন দাবি করছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। সিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সফলতা ও ব্যর্থতা মূল্যায়নে আনব। এ নির্বাচনে যদি সফল হন তাহলে অবশ্যই সংলাপ বা আলোচনায় যাব। সফল হলে জাতীয় নির্বাচনেও অংশগ্রহণের ব্যাপারে ইতবাচক মনোভাব থাকবে। আমরা তো নির্বাচনমুখী দল। তবে সিটি নির্বাচনে যদি ব্যর্থতার পরিচয় দেন, তাহলে সংলাপে যাওয়ারও ইচ্ছা আমাদের নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিটি নির্বাচনের পর শূরা বৈঠক (সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম) আহ্বান করব। দ্বাদশ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগে সাধারণত এ বৈঠক হয়। তাদের মতামত নিয়ে দলের আমির যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটিই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যদি সিদ্ধান্ত আসে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের, তাহলে নেমে পড়ব।’

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল ইসলামী আন্দোলন। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩শ আসনেই প্রার্থী দেয় দলটি। এরপর বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়নি। পরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক সংলাপ হয়। সেখানেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হলে দলটি অংশ নেয়নি।

ইসির তফশিল অনুযায়ী, ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন, ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল এবং ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল সিটি করপোরেশনে দলটির মেয়র প্রার্থী করা হয়েছে সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমকে। তিনি চরমোনাইয়ের ছেলে। এছাড়া গাজীপুরে কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, খুলনায় কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও মহানগর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আবদুল আউয়াল, সিলেটে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং রাজশাহীতে মেয়র প্রার্থী হয়েছেন মহানগর সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোরশেদ আলম।’

তথ্যসূত্র: যুগান্তর।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews