
লালমনিরহাট জেলা সংবাদদাতা // লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ-র বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে গোপন বৈঠকের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ওই উপজেলার সির্ন্দুনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন তাজু-র বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠক নয়, একটি দাওয়াতের অনুষ্ঠান ছিলো বলে স্বীকার করেছেন আমজাদ হোসেন তাজু-র পরিবারের লোকজন ও এক পুলিশের এক কর্মকর্তা।
জানা গেছে, ১৬, লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ডামি প্রার্থী ছিলেন এই আমজাদ হোসেন তাজু। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ও একাধিক মামলার আসামী।
অভিযোগ উঠেছে, ৮ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসায় দাওয়াতের নামে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের। ওই বৈঠকে উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্তত ৬/৭ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে যোগ দেন হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। বৈঠক শেষে আওয়ামীলীগ নেতাদের দাওয়াত অনুষ্ঠানেও ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন । বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন উপজেলাস্থ কাজির বাজারের ওই বাসায় জড়ো হতে থাকে ফলে দ্রুত ওই বাসা ত্যাগ করেন ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। অপর একটি সুত্র জানান, ওই বৈঠকে হাতীবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা জেলার বাহিরে কর্মরত প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে আমজাদ হোসেন তাজু-র স্ত্রী শাপলা আক্তারের দাবী, বৈঠক নয়, আমাদের বাসায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান ছিলো। সেই দাওয়াতে ওসি এসেছিলেন। আর লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমান সেন জানান, ওই বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সেই কর্মকর্তার সাথে দেখা করতেই গিয়ে ছিলেন ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।