1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আজ শেষ হচ্ছে ইলিশ শিকারের ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরনাম :
স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল করা হয়েছে ‘খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম’ মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও আলোচনা সভায় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও ঐক্যের আহ্বান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসায় রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন, ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে নতুন পরিচয়ে সাংবাদিক বেলাল নারী কর্মীকে ঘিরে মেহেন্দিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রশাসনিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আজ শেষ হচ্ছে ইলিশ শিকারের ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
  • ১৬৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
55

নিজস্ব প্রতিবেদক // ইলিশের প্রজনন ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জারিকৃত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ বুধবার (১১ জুন) রাত ১২টায়। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে আবারও সমুদ্রে মাছ ধরতে নামবেন উপকূলীয় জেলেরা। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন পটুয়াখালীর আলীপুর ও মহিপুর এলাকার জেলেরা।

জেলেরা ট্রলার মেরামত, জাল সেলাই, বরফ সংগ্রহ ও খাদ্য মজুতসহ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আলীপুর বন্দরের জেলে ইউনূস মিয়া জানান, দীর্ঘ ২৩ বছর সমুদ্রে গেলেও এখনও সরকারি প্রণোদনার তালিকায় তার নাম নেই। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “অনেকে জেলে না হয়েও প্রণোদনা পেয়েছে।”

মৎস্যজীবী কাদের পহলান জানান, “৫৮ দিন ধারদেনা করে চলেছি। সরকার যে চাল দিয়েছে, তা দিয়ে সংসার চলেনি। এখন সমুদ্রে গিয়েও যদি ইলিশ না পাই, তাহলে বিপদ বাড়বে।”

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলত। তবে এবার ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সময়ের সামঞ্জস্যতা আনতে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত। এ সময়কালে মাছ ধরা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রি ছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মাঠে ছিল কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। আইন ভাঙায় বেশ কয়েকজনকে জরিমানা ও কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা মিয়া বলেন, “জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেছে। আশা করছি, এবার মাছের সরবরাহ বাড়বে এবং বাজারে দাম কিছুটা কমবে।”

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য ছিল ইলিশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ। তা সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। জেলেরা এর সুফল পাবেন। প্রণোদনার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews