1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আমদানি বন্ধের ‘অজুহাতে’ বেড়েছে চালের দাম - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরনাম :
স্কুল ভর্তিতে লটারি বাতিল করা হয়েছে ‘খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম’ মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ইফতার ও আলোচনা সভায় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও ঐক্যের আহ্বান মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসায় রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় মেরামত ৫টি রেলইঞ্জিন, ঈদে যুক্ত হলো রেলবহরে নতুন পরিচয়ে সাংবাদিক বেলাল নারী কর্মীকে ঘিরে মেহেন্দিগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে প্রশাসনিক বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আমদানি বন্ধের ‘অজুহাতে’ বেড়েছে চালের দাম

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে
65

দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে শুল্কমুক্তভাবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সরকার।

এ কারণে গত কয়েকদিনে এই বন্দর দিয়ে রেকর্ড পরিমাণ চাল আমদানি হয়। তবে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) থেকে চাল আমদানি বন্ধ হওয়ার খবরে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে দাম বেড়েছে কেজিতে ৪-৫ টাকা। এদিকে চালের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা।

হিলি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন কাটারি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮-৬৯ টাকা কেজি দরে, যা গত দুদিন আগে ছিল ৬৪-৬৫ টাকা কেজি। আর স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৩ টাকা কেজি, যা কয়েকদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৪৮-৪৯ টাকা কেজি।

অটোরিকশাচালক আসলাম হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সকালে ৪৮ টাকা কেজিতে চাল কিনি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চাল নিতে এসে শুনছি দাম বেড়েছে। দাম বাড়িয়ে গরিবের পেটে লাথি মারা হচ্ছে।

চাল ব্যবসায়ী সামসুল মিয়া বলেন, আমরা খুচরা ব্যবসা করি। কয়েকদিন ধরে ভারতীয় অনেক চাল বাংলাদেশ আমদানি হয়েছে। এসব চালের বেশিরভাগ খুচরা বাজারে বিক্রি না করে মজুত করা হয়। ফলে চালের সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বড় বড় ব্যবসায়ীরা। আমরা কম দামে কিনলে কমদামে বিক্রি করি। আর বেশি দামে নিলে বেশি দামে বিক্রি করি।

হিলি বন্দরের চাল আমদানিকারক নুরুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি বন্ধ হওয়ায় দামটা একটু বেড়ে গেছে। তবে আর কয়েকদিন আমদানির সময় বাড়ানো হতো তাহলে দাম স্বাভাবিক থাকতো।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আতিকুর রহমান জানান, ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি স্বাভাবিক ছিল। আমদানিকারকরা যাতে দ্রুত বাজারজাত করতে পারেন সেই লক্ষে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হয়।

কাস্টমসের তথ্যানুযায়ী, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews