এর আগে ভোল মাছটিকে পুরুষ মাছ ভেবে ১০ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। পরে মাছটি কাটার পর স্ত্রী মাছ নিশ্চিত হওয়ায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবিরের মালিকানাধীন এফবি সাইফ-২ নামের ট্রলারে বঙ্গোপসাগরে রোববার (২৩ মার্চ) রাতে ভোল মাছটি ধরা পড়ে। এরপর মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিক্রির জন্য মাছটি নিয়ে আসেন জেলেরা। পরে আলম মিয়ার মৎস্য আড়তের মাধ্যমে খোলা ডাকে স্থানীয় মৎস্য পাইকার মো. হানিফ মিয়া মাছটি কিনে নেন।
এ বিষয়ে পাইকার মো. হানিফ মিয়া বলেন, ‘ভোল মাছটিকে পুরুষ মাছ ভেবে ১২ লাখ টাকা মণ দরে ১০ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় মাছটি ক্রয় করি। পরে মাছটি কেটে বিক্রি করার সময় নিশ্চিত হই এটি স্ত্রী ভোল মাছ। তাই মাছটির দাম সমন্বয় করা হয়েছে। পরে মাছটির দাম সাড়ে তিন লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে এফবি সাইফ-২ ট্রলারের মাঝি জামাল বলেন, ‘আমরা সাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জাল ফেলে তেমন মাছ পাচ্ছিলাম না। পরে হঠাৎ আমাদের জালে ৩০ কেজি ওজনের বিশাল একটি ভোল মাছ ধরা পড়ে। এত বড় মাছ সাগরে সচরাচর আমরা পাই না। এ কারণে বিশাল এ মাছটি পেয়ে আমরা সবাই আনন্দিত।’
এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘ভোল মাছ সাধারণত বিদেশে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। সাগরে বিভিন্ন সময়ে সরকারিভাবে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়, জেলেরা তা মেনে চললে এবং পোনা নিধন বন্ধ রাখলে এমন বড় মাছের সংখ্যা আরও বাড়বে। মাছটি দেশের বাজারে বিরল হলেও, আন্তর্জাতিক বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।’