1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে গেলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে গেলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের ‘সাধ এবং সাধ্যে’র মধ্যে ফারাক থাকলেও আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণের জন্যই বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে টার্গেট করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খালখনন সহ বিভিন্নরকম কর্মসূচী বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। জনগণের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তারেক রহমান বলেন, লাখো প্রাণের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আমরা ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। প্রতিটি প্রাণেরই একটি স্বপ্ন ছিল, একটি আকাঙ্খা ছিল। সেই আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য তারা সাহসের সঙ্গে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছিলেন, নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সকল শহীদের আকাঙ্খা ছিল, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক তাঁবেদারমুক্ত একটি স্বাধীন সার্বভৌম নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ কোনো দলের ছিল না। এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’। বছরের পর বছর এমনকি যুগের পর যুগ ধরে-লড়াই করেও যারা এখনো স্বাধীন হতে পারেননি, একমাত্র তাদের পক্ষেই স্বাধীনতার মূল্য সম্পূর্ণভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব। স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছেন স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের প্রতিটি মানুষ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সাধারণত কোনো ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ আলোচনা করতে গেলে আমার একটি প্রবাদ বাক্যের কথা মনে পড়ে এবং প্রায়শঃই সেটি আমি আমার বক্তব্যে উল্লেখও করে থাকি। সেটি হলো, “অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ… আর অতীতকে ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ”। সুতরাং অতীতকে একদমই ভুলে থাকলে যেমন চলবে না, আবার অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে গিয়ে সেটি যেন আমাদের ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বিঘ্ন সৃষ্টির কারণ না হয়ে দাঁড়ায়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews