1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
গৌরনদীতে কলেজ অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তার অভিযোগ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

গৌরনদীতে কলেজ অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্তার অভিযোগ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ 0 বার সংবাদি দেখেছে

গৌরনদী প্রতিনিধি // ভূয়া-বিল ভাউচার আর হিসেব বহির্ভূত লেনদেনসহ অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সরিফুল কামালের বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কলেজের আয়-ব্যয়ের অভ্যন্তরীন অডিট কমিটির প্রতিবেদনে অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। অডিট প্রতিবেদনের একটি কপি সাংবাদিকদের হাতে এসেছে। বিষয়টি চাউর হওয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। অডিট প্রতিবেদনে কলেজের সাধারণ ব্যাংক হিসেব বহির্ভূতভাবে সর্বমোট ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ৪১৫ টাকা এবং ৪৩ লাখ ৭৭ হাজার ৪৬২ টাকার লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে। অবৈধভাবে ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার বিল নেওয়ারও তথ্য মিলেছে। বিধিবহির্ভূতভাবে কলেজের ৩ লাখ ২২ হাজার ৪৪১ টাকা অধ্যক্ষ তার নিজের কাছে জমা রেখেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অডিটে ৪৬ লাখ টাকার ব্যয়ের সঠিক হিসেব দিতে না পারার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সবমিলিয়ে অধ্যক্ষ কর্তৃক কলেজের সাধারণ তহবিলে ৭০ লাখ ৪৭ হাজার ২৪০.১২ টাকা ফেরত যোগ্য বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অডিট কমিটির একাধিক সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রায় দেড় বছর আগে রেজুলেশনের মাধ্যমে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট অভ্যন্তরীন অডিট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন করার পর থেকে অডিট কাজে অসহযোগিতা করে আসছিলো অধ্যক্ষ সরিফুল কামাল। যে কারনে অডিট সম্পন্ন করতে প্রায় দেড় বছর লেগেছে। তারা আরও জানিয়েছেন, বিধি অনুযায়ী একজন অধ্যক্ষ সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা হাতে রাখতে পারেন। তবে অধ্যক্ষ সরিফুল কামাল কলেজের ৩ লাখ টাকার বেশি হাতে রেখেছেন। এটা সম্পূর্ন আইন বহির্ভূত। তাকে তাৎক্ষনিকভাবে কলেজের সাধারণ তহবিলে ৭০ লাখ ৪৭ হাজার ২৪০ টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে। অডিট কমিটির আহবায়ক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কাসেম জানান, প্রায় দেড় বছর যাবত ধরে চুলচেরা বিশ্লেষনের পর পাঁচ সদস্যর অডিট কমিটি ঐক্যমতের ভিত্তিতে অডিট সম্পন্ন করার পর প্রতিবেদন কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অডিট কমিটিতে কলেজের দুইজন শিক্ষকও যুক্ত ছিলেন। আমাদের দায়িত্ব শুধু প্রতিবেদন জমা দেওয়া। পরবর্তী সিদ্ধান্ত কলেজ গভর্নিংবডি নিবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগের বিষয়ে মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সরিফুল কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযোগের বিষয়ে সামনাসামনি দেখা করতে বলেন। এ বিষয়ে জানতে কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি লুৎফর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে গভর্নিংবডির সদস্য সিকদার হাফিজুর রহমান বলেন, কলেজ গভর্নিং বডির সভায় অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করা হবে। এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews