1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
চরফ্যাশনে ইলিশের আকাল, হতাশ জেলেরা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন মইনুদ্দিন নাসির রুবেল শাতলা পশ্চিম চাতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, র‍্যাবের হাতে মূলহোতা আটক মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দেড় বছর পর আবারও চালু হলো ১০ শয্যার আইসিইউ সেবা পাটগাতী-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাঁশের হাট, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি খুলনা-বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট এক মাসের জন্য স্থগিত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা জামায়াত কর্মীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা

চরফ্যাশনে ইলিশের আকাল, হতাশ জেলেরা 

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৬৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

তবে মৎস্য সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী, খুব শীগ্রই জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়বে ইলিশ। জ্যৈষ্ঠ থেকে ভরা মৌসুম চলছে ইলিশের। কিন্তু জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণে ও আশানুরূপ দেখা মিলছে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। নিষেধাজ্ঞার পর গত শনিবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরা শুরু হয়। কিন্তু নদ-নদীতে দেখা মিলছে না তেমন ইলিশের। সাগরে মোটামুটি ইলিশ পাওয়া গেলেও মেঘনা, তেতুলিয়া নদীতে মাছের হাহাকার।

ইলিশের মৌসুমে ও ইলিশ ধরতে না পারায় দূরচিন্তায় পড়েছেন জেলেরা। একই সঙ্গে হতাশ আড়ৎদাররে ও। সারা দিনে দুই এক ঝুড়ি মাছ ঘাটে আসলেও তেমন হইচই নেই চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া, সামরাজ, নতুন সুইজ, খেজুর গাছিয়া ,বস্কসি, ঢালচর, ডাকাতিয়ার খাল, চরপাতিলার, দক্ষিণ আইচা ও  চর কচ্ছিপিয়া মাছ ঘাটগুলিতে। সেই সঙ্গে  হাটবাজার গুলোতে ও ইলিশের সেই হাঁকডাক নেই আগের মত । ফলে চরফ্যাশন উপজেলার ৪৪ হাজার ৩১১ জন নিবন্ধিত জেলেসহ প্রায় ৬০ হাজার জেলে হতাশায় রয়েছেন।  নিষেধাজ্ঞার পর ইলিশ না পাওয়ায় চরমদুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলেরা।

মৎস্যজীবীদের মাছ শিকারের ঠিকানা বলতে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ২০০ কিলোমিটারসহ সাগরকূলের মুক্ত জলাশয়। চরফ্যাশন উপজেলার মজিবনগর, চরমোন্তাজের জেলেদের ঠিকানা বুড়াগৌরাঙ্গ, তেতুলিয়া নদী। সারা বছরই কিছু না কিছু মাছ মেলে এই নদী থেকে। কিন্তু বর্ষাকালে ইলিশের দৌলতেই পুঁজির জোগানটা হয়।

উপজেলার চরকচ্ছপিয়ার জেলে হালিম মাঝি ও চরকুকরি-মুকররি ট্রলারের হানিফ মাঝি বলেন, ভরা মৌসমেও নদীতে ইলিশ মাছ নাই। দিন-রাত জাল ফেলে ৫-১০ টা মাছ পাই তা বিক্রি করে যে টাকা হয় তাতে ডিজেলের দাম হয় না। তারপরও পোলাপাইন নিয়ে অনেক কষ্টে চলে সংসার।

ঢালচর মৎস্য ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর তালুকদার ও সহিজল বলেন, টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। জেলেরা সাগরে গেছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ এবার পাচ্ছে না। দৈনিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বাজার নিয়ে জেলেরা নদীতে যায়। রাত দিন জাল ফেলে মাছ পায় ৩-৪ হালি করে তা বিক্রি করে যে টাকা পায় তাতে দোকানের মালামালের টাকা দিলে আর জেলেদের তেমন একটা টাকা থাকে না। যে কারণে জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

চরফ্যাশন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো মারুফ হেসেন মিনার বলেন, মূলত চলতি বছরে খুব বিলম্বে বৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। বৃষ্টি যত বেশি হবে ইলিশ  মাছের তত দেখা মিলবে। তবে ভোলাসহ উপকূলীয় কিছু কিছু জায়গায় মোটামুটি ইলিশের দেখা যাচ্ছে। দেরিতে হলেও মাছ হবে এমনটা আশা করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশ মাছের মৌসুম পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। সে কারণেই এই ভরা মৌসুমেও ইলিশ ধরা পড়ছে না। তার মতে, বিষয়টি চিন্তার হলেও এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। জেলেদের জালে যে একদমই মাছ ধরা পড়ছে না তা কিন্তু নয়। ইলিশ ধরা পড়ছে তবে পরিমাণে কম।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews